‘শ্রীলঙ্কায় মাদক চোরাচালান চক্রের পাঁচ সদস্য’ বাংলাদেশে গ্রেপ্তার

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, পিটিবিনিউজ.কম
গত ৩১ ডিসেম্বর শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মাদকের চালান উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তার পাঁচজনের মধ্যে তিনজন নারী রয়েছেন।

গতকাল সোমবার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে তারা গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান। আটককৃতদের ‘আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের সদস্য’ বলা হলেও তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করেনি র‌্যাব।

আজ মঙ্গলবার র‌্যাবের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

গত ৩১ ডিসেম্বর কলম্বোর কাছে দেহিওয়ালা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৭২ কেজি হেরোইন ও ৫ কেজি কোকেন উদ্ধার করে শ্রীলঙ্কার পুলিশ নারকোটিক ব্যুরো ও স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কায় জব্দ করা মাদকের সবচেয়ে বড় চালান এটি।

প্রায় তিন বিলিয়ন শিংহলি রুপি (১৫২ কোটি টাকা) দামের ওই মাদক উদ্ধারের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে সে সময় গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে একজন বগুড়ার মোহাম্মদ জামালউদ্দিন, অন্যজন জয়পুরহাটের দেওয়ান রফিউল ইসলাম। তার দুই সপ্তাহ আগে একই এলাকা থেকে ৩২ কেজি হেরোইনসহ সূর্যমণি নামে আরেক বাংলাদেশি নারীকে গ্রেপ্তার খবর আসে শ্রীলঙ্কার সংবাদ মাধ্যমে।

এই মাদক চোরাচালানের তদন্তের জন্য সে সময় শ্রীলঙ্কার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চাওয়া হয়। শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের হাই কমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ সে সময় সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

এরপর তদন্তে নেমে ৫ জানুয়ারি উত্তরার এক বাড়ি থেকে চয়েজ রহমান নামে একজনকে আটক করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।

এছাড়া কলম্বো থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশে তিন নারীকে আটক করার খবর সে সময় সংবাদ মাধ্যমে আসে। ওই তিন নারী কলম্বোতে মাদকের চালানটি পৌঁছে দেয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।