ভাসানচর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে পণ্যবোঝাই দুই জাহাজ ডুবি

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা, পিটিবিনিউজ.কম
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দুটি লাইটার জাহাজ খাদ্যদ্রব্য বোঝাই করে নারায়ণগঞ্জ যাওয়ার পথে নোয়াখালীর ভাসানচর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেছে।

ডুবে যাওয়া জাহাজদুটির নাম- ‘এম ভি খাজা বাবা ফরিদপুরী’ ও ‘এম ভি এন ইসলাম’। এর মধ্যে ‘খাজা বাবা ফরিদপুরী’ নামে একটি জাহাজ পুরোপুরি ডুবে গেছে। ‘এন ইসলাম’ নামে অন্যটিরও বেশিরভাগ অংশ ডুবেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম জানান, ‘খাজা বাবা ফরিদপুরী’র একজন নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। লাইটার জাহাজ দুটি আলাদা স্থানে ডুবেছে। ‘খাজা বাবা ফরিদপুরী’ জাহাজটি ১৭০০ মেট্রিক টন গম নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জে যাচ্ছিলো।

সেলিম বলেন, ‘ভাসানচর বয়ার এক নটিক্যাল মাইল পূর্বে গিয়ে জাহাজটি ডুবে যায়। এর ১৩ জন নাবিকের মধ্যে ১২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। একজন নাবিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।’

জাহাজটি ডোবার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্দেশনা আছে, জোয়ারের সময় তিন ঘণ্টা সময় নিয়ে যেনো ভাসানচর অতিক্রম করা হয়। জাহাজটি ভাসানচর অতিক্রমের সময় ভাটার টান ছিলো। ভাটার টানে জাহাজটি ডুবে যায়।

মোহাম্মদ সেলিম জানান, ‘ভাসানচরের কাছাকাছি এলাকায় আরেকটি জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষে ‘এন ইসলাম’র তলা ফেটে গিয়ে সেটি ডুবে যাচ্ছে। এটি ভুট্টা নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জ যাচ্ছিলো। এরপর জাহাজটি যখন ডুবে যাচ্ছিলো, ক্যাপ্টেন সেটিকে চরের কাছাকাছি নিয়ে যায়। সেখানে জাহাজটির বেশিরভাগ অংশ ডুবে গেছে। শুধু উপরের অংশটি দেখা যাচ্ছে। এতে যারা ছিলেন, সবাই নিরাপদে আছেন।’

এন ইসলামের নাবিকরা জানিয়েছেন, সিটি-১৯ নামের অন্য একটি জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষে তাদের জাহাজের তলা ফুটো হয়ে যায়।