পাশাপাশি দুই উপজেলায় দুই গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, পিটিবিনউজ.কম
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এবং ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
একটি মরদেহ পাওয়া গেছে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামের সন্ন্যাসীতলায়। আর অন্যটি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কানাইডাঙ্গা গ্রামে পাওয়া গেছে।

নিহতদের মধ্যে একজন ছিনতাই ও ডাকাতি মামলার আসামি আর অন্যজনের পরিচয় জানা যায়নি। সন্ত্রাসীদের নিজেদের কোন্দলের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। দুই ঘটনার মধ্যে কোনো যোগাযোগ আছে কি না, সে বিষয়েও পুলিশ স্পষ্ট কিছু বলেনি।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ গনি মিয়া জানান, গ্রামবাসীর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সন্ন্যাসীতলা এলাকায় গিয়ে জিন্স আর নীল শার্ট পরিহিত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে। তার মাথা ও বুকে গুলির চিহ্ন ছিলো।

পরে জানা যায়, ওই যুবকের নাম ইমরান হোসেন (২৬)। সে আলমডাঙ্গা শহরের মসজিদ পাড়ার আব্দুর রহমানের ছেলে।

ওসি বলেন, ‘ইমরান অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলো বলে আমরা জানতে পেরেছি। তার বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার মিরপুর থানায় ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।’

অন্যদিকে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কোটচাঁদপুর সার্কেল) মির্জা সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘কালীগঞ্জ-জীবননগর সড়কের কানাইডাঙ্গাগ্রামের ইটভাটার সামনে রাস্তার পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে সকাল ৮টার দিকে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ৩০ বছর, তার পরনে ছিলো জিনস, গায়ে টি শার্ট। গুলিবিদ্ধ মরদেহের হাত-পা বাঁধা ছিলো। তার পরিচয় জানা যায়নি।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘অন্য কোনো স্থানে হত্যার পর মরদেটি ওই জায়গায় ফেলে গেছে বলে মনে হচ্ছে। তার মাথা ও বুকে গুলির চিহ্ন আছে। মরদেহের পাশেও একটি গুলি ছিলো।’

ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।