শরীয়তপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই ডাকাত নিহত

প্রতীকী ছবি।

শরীয়তপুর সংবাদদাতা, পিটিবিনিউজ.কম
শরীয়তপুরের সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার দেওভোগ গ্রামে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহতরা আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য বলে দাবি করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সূর্যমনি গ্রামের সিকান্দার আকনের ছেলে জাহাঙ্গীর আকন (৪০) ও একই জেলার রাজৈর থানার চাপাতলী গ্রামের মৃত আরশাদ আলী হাওলাদারের ছেলে রাসেল হাওলাদার (৩২)।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- শরীয়তপুর ডিবি পুলিশের সহকারী উপ পরিদর্শক (এএসআই) সোহাগ, কনস্টেবল রাসেল ও মাসুম শেখ।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জমান জানান, ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ এজহারভুক্ত ওই দুই আসামিকে ঢাকা থেকে আটকের পর শুক্রবার পালং থানা পুলিশ তাদের নিজ হেফাজতে নিয়ে আসে। পরে মামলার অপর আসামি সোহেল ঘরামীমে ধরতে তাদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা ও পালং মডেল থানার পুলিশ। তিনি বলেন, রোববার রাত আড়াইটার সময় দেওভোগ গ্রামে তাদের নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার ও অপর আসামিকে ধরার জন্য অভিযানে গেলে ডাকাতরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ককটেল নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণ করে। এ সময় ডাকাত জাহাঙ্গীর ও রাসেল দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে ডাকাতরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। পরে স্থানীয় উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে আসলে তাদের উপস্থিতিতে তল্লাশি চালিয়ে জাহাঙ্গীর ও রাসেলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়াও একটি ওয়ান শুটারগান, ৯টি ককটেল, আটটি রামদা, দুইটি ছুরি, তিনটি চায়নিজ কুড়াল ও গ্রিল কাটার একটি কেচি উদ্ধার করা হয়।

ওসি বলেন, পরে পুলিশ গুলিবিদ্ধ দুইজনকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতরা একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চিহ্নিত সদস্য। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।