অনন্য মাইলফলক ছুঁলেন মেসি

ফাইল ছবি

স্পোর্টস ডেস্ক, পিটিবিনিউজ.কম
মেসিভক্তদের অপেক্ষার প্রহর তবে শেষ হয়েছে। গতরাতে লা লিগায় এইবারের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। জোড়া গোল করেছেন সুয়ারেজ। আর এক গোল করেছেন মেসি। এই গোলের মধ্য দিয়ে তিনি চারশ’ গোলের অনন্য এক মাইলফলক ছুঁয়েছেন।

লা লিগার ইতিহাসে এর আগে কেউ চারশ গোলের রেকর্ড করতে পারেনি। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনা জিতেছে ৩-০ গোলের ব্যবধানে। ম্যাচের অন্য দুটি গোল করেন বার্সেলোনার আরেক তারকা লুইস সুয়ারেজ।

বার্সার ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে ম্যাচের ১৯ মিনিটের মাথায় দুর্দান্ত এক গোল করেন উরুগুয়ে স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ। প্রতিপক্ষের বক্সের আগে দারুণ বল চালাচালি করে তাদেরকে বিভ্রান্ত করে বক্সে ঢুকে কোনাকুটি মাপা শট নেন সুয়ারেজ। বার্সা এগিয়ে যায় ১-০ গোলে। এরপর প্রথমার্ধে আর গোল পায়নি কোনো দল।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫৩ মিনিটে গোল করে লা লিগার ইতিহাসে নিজের ৪০০তম গোল করেন মেসি। এরপর ম্যাচের ৫৯ মিনিটে গোল ব্যবধান ৩-০ করে বার্সা। দলের হয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন সুয়ারেজ। মেসি-সুয়ারেজ দু’জনই অবশ্য এইবারের বিপক্ষে ভালো খেলেন। মেসি এ নিয়ে ৮ ম্যাচে ১৩ গোল করল এই দলের বিপক্ষে। এছাড়া সুয়ারেজ তার খেলা শেষ ছয় ম্যাচেই গোল পেয়েছে এইবারের বিপক্ষে। শেষ ছয় ম্যাচে নয় গোল দিয়েছেন তিনি লা লিগার এই দলের বিপক্ষে।

বার্সা পরে আরো গোল পাবে এই অপেক্ষায় ছিলো দর্শক। ম্যাচের তখনও ৩০ মিনিটের বেশি বাকি। কিন্তু পরের সময়টা মেসিদের আটকে রাখে এইবার। তবে বার্সার হয়ে এ ম্যাচেও গোল সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেননি পড়তি ফর্মের কারণে বার্সা কোচের চিন্তার কারণ হওয়া ব্রাজিলিয়ান তারকা কুতিনহো। গোলে সহায়তা দিয়ে অবশ্য অবদান রাখেন তিনি। বার্সা আগের ম্যাচে লেভান্তের বিপক্ষে কোপা দেল রে’র ম্যাচে হারে। এরপর লিগ ম্যাচ দিয়ে জয়ে ফিরলো তারা।

প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। মেসিভক্তদের মনে তখন হতাশার কালো মেঘ ছেয়ে যায়—আজও কি হবে না? কিন্তু ভক্তদের হতাশ করেননি মেসি। ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে এইবারের জালে বল জড়িয়ে গড়ে ফেলেন ইতিহাস। সুয়ারেজের কাছ থেকে অসাধারণ পাস পেয়ে আড়াআড়ি শটে গোল করেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন এই তারকা।

সুয়ারেজও বসে থাকবেন কেন! ৫৯তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে এইবারের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন সুয়ারেজ। সুয়ারেজের গোলের আগে মেসির শট আটকে দেন এইবার গোলরক্ষক। তা না হলে মেসির গোলসংখ্যা নিশ্চিত বাড়তো।