প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হুদা, মনোনয়ন বৈধ আব্বাসেরও

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, পিটিবিনিউজ.কম
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন সাবেক বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। সেই সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্রও বৈধ রয়েছে। আজ শনিবার (৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত আসে।

ঢাকা-১৭ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল হুদার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে আপিল করেন তিনি। শুনানিতে নাজমুল হুদা বলেন, আমি কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী না। স্বতন্ত্র হলে যে ১% ভোটারের তালিকা, সেটা আমার জন্য তাই প্রযোজ্য না।

শুনানি শেষে কমিশনের আদেশ জানিয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গণ্য করে এই আপিল আবেদন মঞ্জুর করা হলো।

ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয় বাছাইয়ে। রিটার্নিং কর্মকর্তার এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে একই আসনে ১৪ দলের প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন আপিল করেন। আপিল শুনানিতে মেননের আইনজীবী আব্বাসের মনোনয়নপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করলেও তা নামঞ্জুর করে ইসি। এর মাধ্যমে আব্বাসের মনোনয়নপত্র বৈধই থাকলো।

এদিকে মির্জা আব্বাসের পাশাপাশি তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও ফিরলেন প্রার্থিতা নিয়ে।

টেলিফোন বিল বকেয়া ও ঋণ খেলাপি হওয়ায় ঢাকা-৯ আসনে ধানের শীষের টিকেট পাওয়া মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেছিলেন তিনি। শনিবার নির্বাচন কমিশন তার আপিল আবেদন মঞ্জুর করে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।

দীর্ঘদিন পর পাশাপাশি হুদা-আব্বাস
এক সময়ের বিএনপির দুই নেতা নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে এসে কাছাকাছি বসেন, কুশল বিনিময় করেন। নির্বাচন ভবনের ১১ তলায় কমিশনের আপিল শুনানি কক্ষে অবস্থান করছিলেন দুজন। দুইজন একসঙ্গে কাছাকাছি বসে ‘কেমন আছেন’ বলে কুশল বিনিময় করেন। ব্যক্তিজীবন ও রাজনীতি নিয়ে আলাপ করতে দেখা যায়।

প্রার্থিতা ফেরত পাননি আমান
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ঢাকা-২ আসনের প্রার্থী আমানউল্লাহ আমান আপিল করেও তার প্রার্থিতা ফেরত পাননি। বাছাইয়ে বিএনপির এই নেতার মনোনয়নপত্র সাজার কারণে বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আমানের আপিল নামঞ্জুর করে শনিবার সিদ্ধান্ত জানায় ইসি। শুক্রবার আমানের আপিল শুনানি হলেও তা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিলো।

আমান বাদ পড়লেও ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও কামরাঙ্গীর চরের ওই আসনে মনোনয়নপত্রের বৈধতা পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকছেন আমানের ছেলে ইরফান ইবনে আমান অমিত।