শেকৃবির ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, চার শিক্ষার্থী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, পিটিবিনিউজ.কম
রাজধানীর ১৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে চার শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। আজ শুক্রবার এই পরীক্ষায় বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাদেরকে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসসহ আটক করা হয়।

আটকদের মধ্যে মো. ইকবাল মাহাবুবকে শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে, মোছা. রাশিদা আক্তার রজনীকে মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে, জয় পালকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমি থেকে ও মাহিম খানকে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদ শেষে তাদের শেরেবাংলা নগর ও মোহাম্মদপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানান, তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে দুই থেকে চার লাখ টাকার বিনিময়ে জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন।

আটক হওয়া মাহিম খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করে বলেন, ডিভাইসে উত্তর পাঠানোর পর চান্স পেলে ঢাবির ওই শিক্ষার্থীকে চার লাখ টাকা দিতে হবে। এজন্য তাকে এইচএসসির মূল মার্কশিট জমা দিতে হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সেকেন্দার আলী বলেন, শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ে ব্যবহার বাধ্যতামূলক ছিলো। আটকদের মধ্যে তিনজন মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ে ব্যবহার সময়ই ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সহকারে ধরা পড়ে।

তিনি আরো বলেন, পরীক্ষার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ও ফোন নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও একজন শিক্ষার্থী এর মাধ্যমে উত্তরপত্র সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছিলো। পরে আমরা তাকেও আটক করেছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকদের কাছ থেকে অনেক মূল্যবান তথ্য পাওয়া গেছে। পরে তাদেরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় চারটি অনুষদে ৬২০ আসনের বিপরীতে ৩৩ হাজার ৩ শত ০১ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। এক আসনের বিপরীতে পরীক্ষার্থী ছিলো ৫৪ জন।