প্রথম দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৮০জন, বিএনপির ৩৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, পিটিবিনিউজ.কম
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানির প্রথম দিনে বাতিল হওয়া ৮০জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ১৬০টি আপিল শুনানির ৭৬টি খারিজ করে দিয়েছে ইসি। এছাড়া চারটি আপিল স্থগিত রাখা হয়েছে। এর আগে ২ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তারা সারাদেশে ৭৮৬ জনের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। এর বিরুদ্ধে ৫৪৩টি আপিল আবেদন জমা পড়ে ইসিতে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী এজলাসে এই শুনানি শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদাসহ চার কমিশনার শুনানি গ্রহণ করেন। প্রথম দিনে আপিল খারিজ হওয়া প্রার্থীদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, তারা ফৌজদারি অপরাধে দুই বছরের বেশি দণ্ডপ্রাপ্ত এবং ঋণখেলাপি।

অন্যদিকে, আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াদের বিরুদ্ধে মনোনয়নপত্র ও হলফনামায় সই না থাকা এবং উপজেলা চেয়ারম্যানদের পদত্যাগ যথাযথ না হওয়াসহ ছোটখাটো ত্রুটি ছিলো।কমিশন এসব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ের পর বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছিলেন, তাদের দলের মনোনীত অনেকের প্রার্থিতা বেছে বেছে বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু প্রথম দিনের শুনানি শেষে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াদের মধ্যে প্রায় ৪০ জনই বিএনপি প্রার্থী। বাছাইয়ের পরে ছয়টি আসনে বিএনপির প্রার্থিতাশূন্য হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিলো। গতকাল এই ছয়টির মধ্যে চারটি আসনের আপিল আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে তারা চারটি আসনেই প্রার্থিতা ফিরে পান।

আজ দ্বিতীয় দিন শুক্রবার আরো ১৬০ আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ১৬১ থেকে ৩১০ নম্বর আপিল শোনা হবে। কাল শনিবার শেষ দিনে ৩১১ থেকে ৫৪৩ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে এবার তিন হাজার ৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এগুলো যাচাইয়ের পর ৭৮৬ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। ফলে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল দুই হাজার ২৭৯ জনে।

ইসির নিবন্ধিত ৩৯ রাজনৈতিক দলের মধ্যে সবগুলো দল থেকেই এবার প্রার্থী দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বতন্ত্র হিসেবেও ৪৯৮টি মনোনয়ন দাখিল করা হয়। কিন্তু বাছাইয়ে ৩৮৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। গতকালের শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াদের মধ্যে বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন।

আপিল খারিজ হওয়ায় নির্বাচনের মাঠ থেকে আরো দূরে সরে যাওয়া বিএনপি নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক মন্ত্রী ও চট্টগামের বিএনপি নেতা মীর নাছির, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও নাটোরের বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবরিনা সুলতানা ও পার্বত্য খাগড়াছড়ি আসনের আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া। ইসিতে যাদের আপিল খারিজ হয়েছে; তারা অনেকেই উচ্চ আদালতে ফের আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।

বিএনপি মনোনীতদের মধ্যে প্রথম দিনে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন- রাজশাহী-১ আসনের সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের মেজর (অব.) মঞ্জুর কাদের ও পটুয়াখালী-৩ আসনের গোলাম মাওলা রনি।

গোলাম মাওলা রনির হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় মনোনয়পত্র বাতিল করেছিলেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ রকম হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকা বা স্বাক্ষরে গরমিল বা ঋণ পুনঃতফসিলের প্রমাণাদি না থাকা, উপজেলা চেয়ারম্যান বা পৌরসভার মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার প্রমাণপত্র না থাকার কারণে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিলো, তাদের অনেকেই নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। যারা উপযুক্ত প্রমাণপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন, তারা প্রার্থিতা ফিরে পাননি। তবে দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে কাউকেই প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেয়া হয়নি।

প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীর সঙ্গে থাকা অনুসারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা ফোন করে এলাকায় প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবর দেন। এ সময় প্রার্থীদের নির্বাচনী এলাকার অনুসারী ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। ঠিক এর বিপরীত চিত্র প্রকাশ পায় প্রার্থিতা না ফিরে পাওয়াদের অনুসারী ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে।

বিএনপির অনেকেই প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। যদিও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের বেশ কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন ফিরিয়ে দিয়েছে কমিশন। এখন বেগম খালেদা জিয়ার মনোনয়ন ফিরিয়ে দেয়ার ওপর আমাদের সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি নির্ভর করছে।’

চট্টগ্রাম-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের পক্ষে তার আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, একটি মামলায় মীর নাছিরকে ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। কিন্তু আপিল করার পর আদালত ওই রায় স্থগিত করেন। কাজেই তার মনোনয়নপত্র বাতিল হতে পারে না।

এ সময় শুনানিস্থলে উপস্থিত ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম বলেন, আপিলের পর আসামির রায় আদালত স্থগিত করলে বাদীপক্ষ স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হয়ে যায়। এ সময় দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি হলে নির্বাচন কমিশন দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের পর এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেবে বলে জানিয়ে দেয়। বিকেলে মীর নাছিরের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা জানায় কমিশন।

ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিকের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিলো তার ঋণ পুনঃতফসিলের কাগজ না থাকার কারণে। শুনানিকালে তিনি ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার প্রমাণপত্র উপস্থাপন করেন। এ সময় ব্যাংকের প্রতিনিধি উপস্থিত আছেন কি-না কমিশন জানতে চাইলে ব্যাংকের প্রতিনিধি জানান, তিনি যথাসময়ে টাকা জমা দিয়েছেন। পরে কমিশন তার মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করেন।

কুমিল্লা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী কে এম মুজিবুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিলো তার দাখিল করা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে আয়কর-সংক্রান্ত সার্টিফিকেট না থাকার কারণে। গতকাল তিনি নির্বাচন কমিশনে সেটা উপস্থাপন করলে কমিশন মূল কপি দেখে অনুলিপি জমা নিয়ে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।

আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন যারা
বগুড়া-৭ আসনের বিএনপি প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন, ঢাকা-২০ আসনের বিএনপি প্রার্থী তমিজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-২-এর বিএনপি প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান, পটুয়াখালী-৩ বিএনপি প্রার্থী গোলাম মাওলা রনি, ঝিনাইদহ-২-এর বিএনপি প্রার্থী মো. আব্দুল মজিদ, ঢাকা-১-এর বিএনপি প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক, জামালপুর-৪ এর বিএনপি প্রার্থী ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, পটুয়াখালী-৩ এর বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজাহান, পটুয়াখালী-১ ন্যাশনালিস্ট পিপলস পার্টির মো. সুমন সন্যামত, মাদারীপুর-১ জাতীয় পার্টির প্রার্থী জহিরুল ইসলাম মিন্টু, সিলেট-৩ বিএনপি প্রার্থী আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জয়পুরহাট-১ বিএনপি প্রার্থী ফজলুর রহমান, পাবনা-৩ বিএনপি প্রার্থী হাসাদুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ-২ আবিদুর রহমান খান, সিরাজগঞ্জ-৩ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আইনাল হক, গাজীপুর-২ মো. মাহবুব আলম, গাজীপুর-২ জাতীয় পার্টির প্রার্থী জয়নাল আবেদীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ জাতীয় পার্টির প্রার্থী জেসমিন নূর বেবী, রংপুর-৪ জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তফা সেলিম, খুলনা-৬ এসএম শফিকুল আলম, হবিগঞ্জ-১ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী জুবায়ের আহমেদ, ময়মনসিংহ-৭ বিএনপি প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ জাতীয় পার্টির আব্দুল্লাহ আল হেলাল, ময়মনসিংহ-২ স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক, শেরপুর-২ একেএম মুখলেছুর রহমান, হবিগঞ্জ-৪ মৌলানা মুহাম্মদ ছোলাইমান খান রাব্বানী, নাটোর-৪ মো. আলাউদ্দিন মৃধা, সাতক্ষীরা-২ আফসার আলী, কুড়িগ্রাম-৪ মো. ইউনুস আলী, বরিশাল-২ মো. আনিচুজ্জামান, ঢাকা-৫ মো. সেলিম ভুইয়া, ঝিনাইদহ-৩ মো. কামরুজ্জামান স্বাধীন, কুমিল্লা-৩ কে এম মুজিবুল হক, মানিকগঞ্জ-১ মো. তোজ্জাম্মেল হক, সিলেট-৫ ফয়জুল মুনীর চৌধুরী, ময়মনসিংহ-৩ আহমদ তায়েবুর রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আবদুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সৈয়দ আনোয়ার আহাম্মদ লিটন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ মো. মামুনুর রশিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আবু আসিফ, ঢাকা-১৪ জাকির হোসেন, পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন, মানিকগঞ্জ-৩ আতাউর রহমান, ময়মনসিংহ-৮ এম এ বাশার, ঢাকা-১৪ সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩ আবদুল খালেক, কুড়িগ্রাম-৪ মাহফুজার রহমান, চট্টগ্রাম-১ মি. নুরুল আমীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মুখলেছুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-১ মো. মাহবুব আলম, কুমিল্লা-৫ মো. ইউনুস, চাঁদপুর-৫ নেয়ামুল বশির, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আশরাফুদ্দিন, রংপুর-১ আসাদুজ্জামান, গাইবান্ধা-৩ আবু জাফর, কুড়িগ্রাম-৪ শাহ আলম, গাইবান্ধা-৩ রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ নাজিমুল ইসলাম (শর্তসাপেক্ষে গ্রহণ), যশোর-৬ সাইদুজ্জামান, নড়াইল-২ ফকির শওকত আলী, সিরাজগঞ্জ-৫ আবদুল্লাহ আল মামুন, নাটোর-৪ আ. আজিজ, সিরাজগঞ্জ-৬ এম এ মুহিত, সিরাজগঞ্জ-৪ আবদুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৫ মে. (অব.) মঞ্জুর কাদের, বগুড়া-৫ আবদুর রউফ মণ্ডল, সিরাজগঞ্জ-৬ হাবিবুর রহমান, বগুড়া-৭ শফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৬ মোহাম্মদ ফয়সল বিন, রাজশাহী-১ আমিনুল হক, দিনাজপুর-১ মো. হানিফ, গাইবান্ধা-৪ আবদুর রহিম সরকার, চট্টগ্রাম-৮ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ আনিছুর রহমান, কুমিল্লা-১১ তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ জহিরুল ইসলাম, কুমিল্লা-৫ শাহ আলম, নীলফামারী-৪ শওকত চৌধুরী।

আপিলেও যারা টিকলেন না
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নবাব মো. শামছুল হুদা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তৈয়ব আলী, মাদারীপুর-৩ মোহাম্মদ আবদুল খালেক, দিনাজপুর-২ স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকারম হোসেন, দিনাজপুর-১ স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. পারভেজ হোসেন, ঠাকুরগাঁও-৩ এসএম খলিলুর রহমান, ফেনী-১ মিজানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৩ ড. মিজানুল হক, ময়মনসিংহ-৪ আবু সাঈদ মহিউদ্দিন, নেত্রকোনা-১ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-২ মো. এমদুদল হক, খুলনা-২ এস এম এরশাদুজ্জামান, নাটোর-১ বীরেন্দ্রনাথ সাহা, ঢাকা-১ মো. আইয়ুব খান, বগুড়া-৩ মো. আবদুল মুহিত, বগুড়া-৪ জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আশরাফুল হোসেন আলম (হিরো আলম), হবিগঞ্জ-২ মো. জাকির হোসেন, ঢাকা-১৪ সাইফুদ্দিন আহমেদ, সাতক্ষীরা-১ এসএম মুজিবর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. বশিরউল্লাহ, নওগাঁ-৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আফজাল হোসেন, খাগড়াছড়ি বিএনপি প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, ঝিনাইদহ-১ বিএনপি প্রার্থী আবদুল ওয়াহাব, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, বগুড়া-৬ মাহবুবুর রহমান, মৌলভীবাজার-২ মহিবুল কাদির চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ মীর মোহাম্মদ নাসির, ফেনী-৩ হাসান আহমদ, ময়মনসিংহ-১০ মো. হাবিবুল্লাহ, জামালপুর-৪ মোহা. মামুনুর রশিদ, বগুড়া-২ আবুল কাশেম, নেত্রকোনা-১ শাহ কুতুব উদ্দীন তালুকদার, নীলফামারী-৪ আমজাদ হোসেন, নীলফামারী-৩ ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আখতার হোসেন, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল ফয়েজ ভূঁইয়া, কুমিল্লা-১০ আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-২ সারোয়ার হোসেন, কুমিল্লা-৪ মাহবুবুল আলম, নোয়াখালী-৩ এইচআর এম সাইফুল ইসলাম, ফেনী-১ নূর আহম্মদ মজুমদার, গাইবান্ধা-২ মকদুবর রহমান, লালমনিরহাট-১ আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন, গাইবান্ধা-৩ মনজুরুল হক, নীলফামারী-৪ আখতার হোসেন বাদল, লালমনিরহাট-৪ জাহাঙ্গীর আলম, নীলফামারী-৪ মিনহাজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ আবুল হাশেম, রংপুর-৫ মমতাজ হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ ওসমান গনি, মাগুরা-২ খন্দকার মেহেদী আল মাহমুদ, ঝিনাইদহ-২ সাবিরা সুলতানা, নড়াইল-১ শিকদার মো. শাহাদাত হোসেন, যশোর-২ আবদুল্লাহ আল মাসুদ, যশোর-২ হাজি মাহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা-১ নুরুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ শেখ মুস্তাফিজুর রহমান, নাটোর-২ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বগুড়া-৭ সরকার বাদল, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ, বগুড়া-৪ অধ্যাপক মো. জাহিদুর রহমান, নওগাঁ-২ আবদুর রউফ মান্নান, নওগাঁ-৬ নজমুল হক, বগুড়া-৭ আবদুর রাজ্জাক, নাটোর-৪ ডিএম রনি পারভেজ আলম, নাটোর-৪ শান্তি রিবারু, সিরাজগঞ্জ-৩ সাইফুল ইসলাম শিশির, দিনাজপুর-৪ মাহবুব আলী, গাইবান্ধা-৩ আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম-৯ মোহাম্মদ দুলাল খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান, বান্দরবান-৩ বাকুল হোসেন, বাগেরহাট-৪ আমিনুল ইসলাম খান।

শূন্য হওয়া চার আসনে প্রার্থী ফিরে পেলো বিএনপি
যাচাই-বাছাইয়ের পর ছয়টি আসনে বিএনপির সব প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তারা। গতকাল আপিল শুনানির প্রথম দিনে এর মধ্যে চারটি আসনে বিএনপি প্রার্থীর আপিল শুনানি হয়। এ সময় বগুড়া-৭ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোর্শেদ মিল্টন, ঢাকা-১ আসনের খন্দকার আবু আশফাক, মানিকগঞ্জ-২ আসনের আবিদুর রহমান খান ও জামালপুর-৪ আসনের ফরিদুল কবির তালুকদার প্রার্থিতা ফিরে পান।

স্থগিত চার আপিল আবেদন
কুড়িগ্রাম-৪ আসনের মোহাম্মদ আবিদ আলভী, গাইবান্ধা-৫ আসনের মো. নাজিমুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের মো. ঈমান আলী ও চট্টগ্রাম-৯ আসনের মো. শামসুল আলম।