অপেক্ষার পালা শেষ হচ্ছে জাতীয় নারী ফুটবল দলের

ক্রীড়া প্রতিবেদক, পিটিবিনিউজ.কম
জাতীয় নারী ফুটবল দল। অবশেষে অপেক্ষার পালা শেষ হচ্ছে তাদের। গত বছরের ফেব্রুয়ারির পর প্রায় এক বছর আট মাস পর আজ বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) মাঠে নামবে জাতীয় নারী দল। অলিম্পিকের বাছাইপর্বের প্রথম রাউন্ডে সাবিনা খাতুনদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক মিয়ানমার। বাংলাদেশ সময় আজ বিকাল সাড়ে ৫টায় ইয়াঙ্গুনের থুয়ুন্না স্টেডিয়ামে শুরু হবে এই ম্যাচ।

২০২০ সালের টোকিও অলিম্পিক গেমসে নারী ফুটবলের জন্য এই লড়াইয়ে বাছাইপর্বে অংশ নিচ্ছে দল। ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত, নেপাল ও স্বাগতিক মিয়ানমার। স্বাগতিকদের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে বাংলাদেশের কঠিন পরীক্ষা। অভিজ্ঞতা ও ফিফা র‍্যাঙ্কিং- সবদিক দিয়েই মিয়ানমারের চেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ। টানা ২০ মাসের বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ না খেলায় বাংলাদেশের কোনো র‍্যাঙ্কিংও নেই। সেখানে মিয়ানমারের ৪৪।

বলতে গেলে অচেনা এক মিয়ানমারের সঙ্গেই খেলতে নামবে বাংলাদেশ। কারণ, এর আগে কখনো মিয়ানমারের মুখোমুখিও হননি সাবিনা-কৃষ্ণারা। অবশ্য অলিম্পিকের বাছাইপর্ব নিয়ে খুব একটা আশাবাদীও নন কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। ঢাকা ছাড়ার আগে বলেছিলেন, ‘আমরা সেখানে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য যাচ্ছি।’ কাল ইয়াঙ্গুনে চার দলের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনেও কোচের মুখে ছিলো একই কথা, ‘গত এক বছর মেয়েরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে। এই দলটা তারুণ্যনির্ভর। আমার বিশ্বাস, এখানে খেলে মেয়েরা আরও বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করবে।’

সদ্যই তাজিকিস্তান থেকে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল টুর্নামেন্টে খেলে এসেছেন ফুটবলাররা। সে দলটির সঙ্গেই যোগ হয়েছেন শুধু সাবিনা খাতুন। মিয়ানমারের সঙ্গে লড়াইয়ের আশা করছেন অধিনায়ক সাবিনা, ‘মিয়ানমার শক্তিশালী দল। তা ছাড়া ওরা দেশের মাটিতে খেলবে। তারপরও নিজেদের সেরাটা দিয়ে ভালো খেলা উপহার দিতে চাই আমরা।’

মিয়ানমারের কোচ উইন থু মোয়ে জয় দিয়ে শুরু করতে মুখিয়েই রয়েছেন, ‘এই গ্রুপে আমরাই ফেবারিট। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়েও সবার ওপরে। বাছাইপর্বের আগে প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ খেলেছি চীন ও জাপানের সঙ্গে। আমাদের একটাই লক্ষ্য দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা।’