চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা শুরু বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্ক, পিটিবিনিউজ.কম
‘উন্নয়নের অভিযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রম জনগণের মাঝে তুলে ধরার লক্ষ্যে চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা শুরু হবে বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর)। এদিন সকাল ১০টায় গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন মেলাসহ দেশের সব জেলা-উপজেলায় আয়োজিত উন্নয়ন মেলা একযোগে উদ্বোধন করবেন। এদিকে, রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গনে তিন দিনের এ উন্নয়ন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আজ বুধবার মেলা প্রাঙ্গনে এ বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান।

তিনি বলেন, মেলায় মোট ৩৩০টি স্টল থাকবে। মেলায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সংস্থা এসব স্টল স্থাপন করেছে। তিন দিনের এ মেলায় আমরা মূলত সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো আমরা জনগণের কাছে উপস্থাপন করবো। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হিসেবে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্য টার্গেট কীভাবে অর্জন করবো তা শোকেসিং করা হবে। এছাড়াও মেলায় বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিরা তাদের জেলাকে ব্র্যান্ডিং করবেন। তারা তাদের জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি এবং পর্যটন ও বিনিয়োগ সুবিধার বিষয় তারা তুলে ধরবেন।

মেলার তিন দিনে তিনটি সেমিনার হবে। প্রথমদিন বিকাল ৫টায় হবে ‘বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শন ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার। দ্বিতীয় দিনের সেমিনারটিও হবে একই সময়ে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য’ শিরোনামে। শেষ দিনে রয়েছে ‘শিক্ষিত জাতি সমৃদ্ধ দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার।

মেলায় সার্বক্ষণিক ওয়াইফাই, তথ্যকেন্দ্র থাকবে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান বলেন, মেলায় সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠান, দপ্তর কিছু ‘ওয়ানস্টপ সার্ভিস’ সেবা দেবে। যেমন বিআরটিএ গাড়ির নিবন্ধন, ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন সেবা দেবে। পাসপোর্ট অধিদপ্তর মেলায় সরাসরি পাসেপোর্ট আবেদন গ্রহণ এবং পাসপোর্ট ফি গ্রহণ করবে। এছাড়াও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের স্টলে ২০১৯ সালে হজে যেতে ইচ্ছুকরা নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়াও প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গনে বর্নাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এদিকে একইসঙ্গে চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা-২০১৮ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

পিটিবিনিউজ.কম-এর সংবাদদাতাদের পাঠানো তথ্য-
কুষ্টিয়া
চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা-২০১৮ উপলক্ষে কুষ্টিয়ায় জেলার কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক তরফদার সোহেল রহমানসহ জেলা কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য আগামী ৪, ৫ ও ৬ অক্টোবর, ২০১৮, কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্বরে তিন দিন ব্যাপী চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা-২০১৮ আয়োজন করা হয়েছে।

যশোর
যশোরের ঐতিহাসিক টাউন হল ময়দানে এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সরকারি-বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ৯৭টি স্টল থাকছে। এসব স্টলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে বর্তমান সরকার গৃহীত নানামুখী কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত হতে পারবেন দর্শনার্থীরা। সেইসঙ্গে বিভিন্ন দপ্তর থেকে ওয়ানস্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবেন।
মেলা সুষ্ঠু, সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কালেক্টরেট সভাকক্ষে বুধবার সকালে যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আওয়াল সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিমসভায় এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, এসডিজি অর্জনে সরকারের সাফল্য প্রচারে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে এ উন্নয়ন মেলায় নতুন পুরনো প্রজন্মের সম্মিলন ঘটবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উজ্জীবিত করতে নানা কর্মসূচি থাকবে। মেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক অর্জিত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, সাফল্য ও পুরস্কার সম্পর্কিত এবং উন্নয়নের নেতৃত্ব ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর নানা প্রদর্শনী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উল্লেখযোগ্য ১০টি উদ্যোগ ব্রান্ডিং প্রচার, তথ্যপ্রযুক্তি, সেবাখাত, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে বর্তমান সরকারের অর্জন ও নারীর ক্ষমতায়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ প্রদর্শন হবে। একই সঙ্গে জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য সম্পর্কে প্রচারণা এবং স্থানীয় সমস্যা চিহ্নিতকরণপূর্বক সমাধানের নিমিত্তে গৃহীত কার্যক্রম তুলে ধরা হবে। এছাড়া মেলা প্রাঙ্গণে সরকারের উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম নিয়ে সংগীত, জারী-সারিসহ দেশিয় সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট সংগীত পরিবেশনা, মাদক, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক বিরোধী প্রচারণা, থাকবে জেলা ব্রান্ডিং সম্পর্কে প্রচারণা।

এ সময় এ মেলার সার্বিক বিষয় তুলে ধরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হুসাইন শওকত জানান, জেলা পর্যায়ে উন্নয়ন মেলা আয়োজনের সঙ্গে সংগতি রেখে উপজেলা পর্যায়েও এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থাণীয় সরকার যশোরের উপপরিচালক নূর-ই-আলম, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার এএসএম কবির, এনডিসি প্রীতম সাহা, প্রেসক্লাব যশোরের সহসভাপতি আনোয়ারুল কবির নান্টু, দৈনিক প্রতিদিনের কথার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ফারাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল,বাসস জেলা প্রতিনিধি সাজ্জাদ গনি খাঁন রিমনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

ভোলা
বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে তুলে ধরা, সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, এমডিজি অর্জনে সরকারের সাফল্য প্রচার ও এসডিজি কার্যক্রমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা এবং জনসাধারণকে সেবা প্রদানের বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শনের লক্ষ্যে সারাদেশের মতো ভোলায় চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা-২০১৮ সফল করতে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ‘উন্নয়নের অভিযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে স্থানীয় জেলা প্রশাসন চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা আয়োজনে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিনব্যাপী ভোলাসহ সারাদেশে একযোগে এ উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক জানান, চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা আয়োজনের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সম্প্রতি মেলা আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উন্নয়ন মেলা সুন্দর ও সফলভাবে আয়োজনের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে তুলে ধরা ও জনসাধারণকে সেবা প্রদানের বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী একযোগে চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে এই উন্নয়ণ মেলার উদ্বোধন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা। এছাড়া ভোলার উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। ভোলায় চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলায় বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড নিয়ে ১১০টি স্টল রাখা হয়েছে। যেখানে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও বর্তমান সরকারের সাফল্য তুলে ধরা হবে। ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য সকলকে অনুরোধ জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

উন্নয়ন মেলা উপলক্ষে ভোলা জেলা প্রশাসন ৪ থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত নানা কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। ৪ অক্টোবর বিকাল ৩টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে মেলা প্রাঙ্গন পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। বিকাল সাড়ে ৩টায় বিটিভি/ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কেন্দ্রীয়ভাবে মেলার শুভ উদ্বোধন। প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলার সকল বিভাগ/দপ্তরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পরিসংখ্যান/চিত্র/প্রমাণ্য চিত্র প্রদর্শন। প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে কবিতা আবৃত্তি/চিত্রাংকন/বিতর্ক/কুইজ প্রতিযোগীতা/কবি গান/রিয়েলিটি শো। প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ৬ অক্টোবর রাত ৮টায় ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ।

নীলফামারী
নীলফামারী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ওই মেলায় বিমানের টিকেট, রেলের টিকেট, জমির পর্চা, পাসপোর্ট সেবা, শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স, থানায় জিডিসহ সব বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা গ্রহনের সুযোগ থাকবে। বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বিমান চলাচল কতৃপক্ষের সদস্য অতিরিক্ত সচিব আব্দুল হাই।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সকাল ১০টার দিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিন দিনের ওই মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মেলায় ১০২টি স্টল ইতিমধ্যে বরাদ্দ দেয়া সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে। এসব স্টলে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি মেলা প্রাঙ্গনে সবার জন্য থাকবে ফ্রি ওয়াইফাইসহ বিভিন্ন জিজিটাল সেবার ব্যবস্থা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শাহিনুর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আজাহারুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুল মোতালেব সরকার, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর সুভাশীষ চাকমা প্রমুখ।

কক্সবাজার
এ উপলক্ষে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে কক্সবাজারে ব্যাপক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এ জেলায় ৬৯টি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। তিনি বলেন, কক্সবাজারে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে। এ কারণে দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় এবারে কক্সবাজারে অনুষ্ঠেয় জাতীয় উন্নয়ন মেলা হবে ব্যতিক্রমধর্মী ও জাঁকজমকপূর্ণ। ৪ অক্টোবর সকাল ১০ টায় হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে মেলার শুভ সূচনা হবে।

মেলা প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এতে থাকছে বিভিন্ন বিষয়ে আলাচনা সভা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তিন দিনের মেলায় দেশের বিখ্যাত ব্যান্ড গ্রুপ সোলস, স্বনামধন্য শিল্পী ফকির শাহাবুদ্দিন, বাউল শিল্পী রিংকু, প্রতীক হাসান সহ আরো অনেক শিল্পী অংশ গ্রহণ করবেন। এছাড়াও থাকবে রাখাইন ও স্থানীয় শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে রিয়েলিটি শো, কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। মেলার শেষ দিনে থাকবে উন্নয়ন কর্মকান্ডের ওপর ভিত্তি করে লেজার শো এবং আতশবাজি।

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, এবারের মেলায় সব সরকারি বিভাগ, বাহিনী, সংস্থা, দপ্তর, পরিদপ্তরের স্টল থাকবে। মানুষ মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে জানতে পারবেন সরকারি কোন দপ্তরের কোন ধরনের সেবা প্রদানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। মেলায় তুলে ধরা হবে কক্সবাজার জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, দর্শনীয় স্থান এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ। তিনি বলেন, উন্নয়নের খবর মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে জেলার ৭১টি ইউনিয়নে বড় এলইডি স্ক্রিন বসানো হয়েছে। সেখানে সরকারের উন্নয়নের চিত্র দেখানো হবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.