শোয়াইন্সটেইগারের আবেগঘন বিদায়

স্পোর্টস ডেস্ক, পিটিবিনিউজবিডি.কম

0
 জার্মান অধিনায়ক বাস্তিায়ান শোয়াইন্সটেইগার
জার্মান অধিনায়ক বাস্তিায়ান শোয়াইন্সটেইগার

ক্যারিয়ারের সমাপ্তিটাও জয়ের মাধ্যমেই শেষ করলেন জার্মান অধিনায়ক বাস্তিায়ান শোয়াইন্সটেইগার। বুধবার রাতে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত এক প্রীতি ম্যাচে শোয়াইন্সটেইগারের জার্মানী ২-০ গোলে পরাজিত করেছে ফিনল্যান্ডকে। আর এই জয় দিয়েই আবেগী শোয়াইন্সটেইগারকে বিদায় জানিয়েছে সতীর্থরা।

দ্বিতীয়ার্ধে জার্মানদের পক্ষে গোল দুটি করেন শালকের ম্যাক্স মায়ার ও আর্সেনালের মেসুত ওজিল। কিন্তু কালকের রাতটা জয়কে ছাপিয়ে পুরোটাই হয়ে ওঠে শোয়াইন্সটেইগারময়। জার্মানীর জার্সি গায়ে নিজের ১২১তম আন্তর্জাতিক ম্যাচটিতে তিনি খেলেছেন প্রথম ৬৬ মিনিট। শেষ বাঁশি বাজার পরে সতীর্থদের ঘাড়ে চড়ে মাঠ থেকে বেরিয়েছেন বর্ণাঢ্য এই অধিনায়ক। আর তাই নিজের আবেগকে ধরে রাখতে পারেননি। ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন, ‘আমি বুঝতে পারছি এই ক্ষণটা আমার জন্য কতটা বেদনার, তোমরা সবাই সেটা দেখেছো। আমি শুধুমাত্র প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে চেয়েছি। কিন্তু সবাই আমাকে যে এতটা অনুভব করে সেটা বুঝতে পারিনি।

বার বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনে ৩২ বছর বয়সী শোয়াইন্সটেইগার আগস্টের শুরুতে অবসরের ঘোষনা দেন। কিন্তু তার কোচ জোয়াকিম লো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডারকে শেষ বারের মত দলের নেতৃত্ব দানের সুযোগ করে দেন। এমনকি ম্যাচ শুরুর আগে জার্মান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি রেইনহার্ড গ্রিনডেল বিদায়ী অধিনায়ককে শুভকামনা জানিয়ে তার প্রশংসা করেন। এ সময় শোয়াইন্সটেইগারকে ফুল ও উপহার হাতে কাঁদতে দেখা গেছে। বরুসিয়া পার্ক স্টেডিয়ামের হাজার ত্রিশ দর্শক এ সময় দাঁড়িয়ে তাদের প্রিয় অধিনায়ককে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে আবেগ তাড়িত শোয়াইন্সটেইগার বলেন, আমি বুঝতে পারিনি এমনটা হবে। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ এখানে আসার জন্য বিশেষ করে প্রেসিডেন্টকে, এটা আমার জন্য অনেক কিছু। জার্মানীর পক্ষে খেলাটা আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের। সবকিছুর জন্য আমি শুধুমাত্র সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।

চলতি মাসের শুরুতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ইউনাইটেডের নতুন বস হোসে মরিনহোর অধীনে এখনো মাঠে না নামা শোয়াইন্সটেইগারের জন্য এটি ছিল মৌসুমের প্রথম ম্যাচ। তবে রেড ডেভিলসের হয়ে খেলার স্বপ্ন এখনো শেষ হয়ে যায়নি বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন এই জার্মান তারকা।

সম্পাদনা: এম জাফিউল ইসলাম।

Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterPrint this page