লালমনিরহাটে বন্যার্তদের পাশে নেই বিএনপি ও জাতীয় পার্টি

আসাদুজ্জামান সাজু, লালমনিরহাট প্রতিনিধি, পিটিবিনিউজ.কম। ওয়েবসাইট: www.ptbnewsbd.com

0

কোনো ইস্যু পেলেই আন্দোলনের হুমকি দেয় বিএনপি। শুরু হয় মিছিল, মিটিং, মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন। বলতে থাকে সরকারের ব্যর্থতার কথা। লালমনিরহাটের রাজপথে পুরোদমে সক্রিয় বিএনপি কিন্তু চলতি বন্যায় দেখা মেলেনি বিএনপি নেতাদের। সরকার ও সরকারি দল বন্যার্ত মানুষের জন্য সাহায্য-সহযোগিতার পাশাপাশি একাধিক মন্ত্রী বন্যার্ত এলাকা পরিদর্শন করলেও দেখা যায়নি বিএনপি’র নেতাদের। তবে জেলা বিএনপি’র উদ্দোগে ত্রাণ বিতরণ চলছে বলে দাবি জেলা বিএপি’র সম্পাদকের। এমন কি এ অঞ্চলের জনপ্রিয় ও প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতাদেরও দেখা যায়নি।

দুই দফা বন্যায় দেশের বেশ কয়েকটি জেলার মত লালমনিরহাটের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় ভাঙ্গন। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয় জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ছয় ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। সব মিলে তিস্তা পাড়ের লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা চালালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। ইতোমধ্যে বেসরকারি উদ্যোগেও ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়ছে। বন্যার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও বন্যার্ত এলাকা পরিদর্শন করে লালমনিরহাটে আসছেন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন মায়া। কিন্তু জাতীয় পার্টির শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু লালমনিরহাটে আসলেও বন্যার্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন না বলে তার সফরসূচী সূত্রে জানা গেছে। যা নিয়ে লোকজনের মাঝে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। জেলা বিএনপি’র উদ্দ্যেগে সদর উপজেলা ও আদিতমারী উপজেলায় কিছু ত্রাণ বিতরণ করা হলেও বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হাতীবান্ধা উপজেলায় দেখা যায়নি বিএনপি’র নেতাদের। এ আসনে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে সাতজন মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে গণ সংযোগ করলেও তারা বন্যার্ত মানুষের পাশে নেই।

লালমনিরহাট জেলা বিএনপি’র সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবলা জানান, বন্যার্ত মানুষের পাশে দাড়াঁতে ইতোমধ্যে জেলা বিএনপি’র উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে। সরকার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্যর্থ হচ্ছে। বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু’র নেতৃত্বে একটি টিম দুই-একের মধ্যে লালমনিরহাটের বন্যার্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন।

সম্পাদনা : অরুন দাস।

Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterPrint this page