ডিবির এক সহকারী কমিশনারসহ আটজন বরখাস্ত

সেন্ট্রাল ডেস্ক, পিটিবিনিউজ.কম। ওয়েবসাইট: www.ptbnewsbd.com

0
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ফাইল ছবি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এক সহকারী কমিশনারসহ আটজনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১৮ এপ্রিল রাতে রাজধানীর কাফরুলের ইব্রাহিমপুরের ‘নিউ ওয়েভ’ ক্লাবে ক্লাবে গিয়ে ‘র‌্যাব পরিচয়ে মুঠোফোন ও টাকা কেড়ে নেওয়ার’ অভিযোগ ওঠার পর তাঁদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে ক্লাবে ঠিক কী ঘটেছিলো, তা স্পষ্ট করে না জানালেও বিষয়টি তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি করে দিয়েছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আহমেদ, গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার জামিল আহমেদ ও পুলিশ সদর দপ্তরের যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ১৮ এপ্রিল রাতে সাধারণ পোশাকে ‘নিউ ওয়েভ’ ক্লাবে যায়। ১১ জনের ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার দলের সহকারী কমিশনার রুহুল আমিন। ওই ক্লাবে জুয়া খেলা হচ্ছে অভিযোগ তুলে তাঁরা ক্লাবে থাকা লোকজনের মুঠোফোন ও টাকা-পয়সা নিয়ে নেন। এ সময় পরিচয় জানতে চাইলে তাদের কেউ র‌্যাব, কেউ সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন বলে একটি পত্রিকার খবরে বলা হয়।  এরপর সেখান থেকে এক সেনা কর্মকর্তার স্বামীসহ চারজনকে আটক করে ক্লাব থেকে বেরিয়ে যান ডিবির সদস্যরা। কাফরুল এলাকায় সেনানিবাসের ফটকের চেকপোস্টে  মিলিটারি পুলিশ গাড়ি থামালে আটকরা মারধর করে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন। পরে সেখানে কাফরুল থানা পুলিশ আসে এবং তাঁরা অভিযানে অংশ নেওয়া ১১ডিবি সদস্যকে থানায় নিয়ে যান।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন বলেন, কাফরুলে ডিবির একটি টিম অপারেশনে ছিলো। সেখানে একটি ক্লাব থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যাদের আটক করা হয়েছিলো তাদের মধ্যে একজন মেজরের হাজবেন্ড ছিলেন। ফেরার পথে মিলিটারি পুলিশ তাদের আটকায় ও পরে থানা পুলিশ যায়।

গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (পূর্ব) মো. নুরুন্নবী জানান, ওই অভিযানে থাকা গোয়েন্দা পুলিশের আট সদস্যকে ইতিমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী তাদের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে কর্তৃপক্ষ।

সম্পাদনা: রাজু আহমেদ।

Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterPrint this page